ইউরোপে কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বাংলাদেশিদের মধ্যে মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে পর্যটন, নির্মাণ, আতিথেয়তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন দক্ষ পেশায় বিদেশি কর্মীর চাহিদা রয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও মন্টিনিগ্রোর মধ্যে জনশক্তি, কর্মসংস্থান, অভিবাসন ও ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ৫ অক্টোবর ২০২৬-এর এক বৈঠকে মন্টিনিগ্রোর পার্লামেন্ট সদস্য গোরদান স্তোয়োভিচ বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পর্যটন, নির্মাণ, আতিথেয়তা ও চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন খাতে দেশটির বছরে ৫০ হাজারের বেশি জনবল প্রয়োজন হতে পারে।
এ কারণে মন্টিনিগ্রো কাজের ভিসা ২০২৬ এখন বাংলাদেশি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তবে মনে রাখতে হবে, শুধু ভিসা পেলেই মন্টিনিগ্রোতে যেকোনো চাকরি করা যায় না। বৈধভাবে কাজ করতে সাধারণত কাজের উদ্দেশ্যে উপযুক্ত ভিসা এবং temporary residence and work permit-এর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। মন্টিনিগ্রো সরকারের তথ্য অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকের কাজের জন্য temporary residence and work permit অথবা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে work registration certificate প্রয়োজন।
২০২৬ সালে মন্টিনিগ্রোতে বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদা
বণিক বার্তার ৫ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্টিনিগ্রো বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী। দেশটির পর্যটন, নির্মাণ, আতিথেয়তা ও চিকিৎসাসেবা খাতে জনবলের প্রয়োজনের কথা আলোচনায় উঠে এসেছে। একই বৈঠকে দুই পক্ষ ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করা এবং শ্রমিক চলাচলসংক্রান্ত চুক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
সম্ভাবনাময় খাত
- নির্মাণকাজ
- হোটেল ও রেস্টুরেন্ট
- পর্যটন
- আতিথেয়তা
- স্বাস্থ্যসেবা
- দক্ষ কারিগরি কাজ
- প্রকৌশল
- অন্যান্য প্রয়োজনীয় দক্ষ পেশা
গুরুত্বপূর্ণ: ৫০ হাজার কর্মীর চাহিদার খবরকে সরাসরি “৫০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা দেওয়া হবে” হিসেবে দেখা ঠিক নয়। এটি মন্টিনিগ্রোর মোট সম্ভাব্য জনবল চাহিদা সম্পর্কে আলোচনায় দেওয়া তথ্য; বাংলাদেশিদের জন্য নির্দিষ্ট ৫০ হাজার ভিসা বা কোটা ঘোষণা হিসেবে এটি উল্লেখ করা হয়নি।
মন্টিনিগ্রো জব ভিসা বা কাজের ভিসা কী?
মন্টিনিগ্রোতে চাকরির উদ্দেশ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে হলে Long-Stay Visa (D) প্রযোজ্য হতে পারে। মন্টিনিগ্রোর অফিসিয়াল ভিসা তথ্য অনুযায়ী D ভিসা এমন ব্যক্তিদের জন্য, যারা ৯০ দিনের বেশি সময় এবং সর্বোচ্চ ১৮০ দিন পর্যন্ত নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে দেশটিতে অবস্থান করতে চান। কাজের উদ্দেশ্যেও D ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে।
তবে D ভিসা এবং work permit একই জিনিস নয়।
সহজভাবে বললে—
চাকরির অফার → ওয়ার্ক পারমিট/রেসিডেন্স প্রক্রিয়া → প্রয়োজনীয় ভিসা → মন্টিনিগ্রো প্রবেশ → বৈধভাবে কাজ
মন্টিনিগ্রো সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী বিদেশি কর্মী নির্দিষ্ট employer এবং নির্দিষ্ট কাজের জন্য অনুমোদিত হলে সেই অনুমোদনের আওতায় কাজ করতে পারেন।
মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার জন্য কী লাগে?
মন্টিনিগ্রো সরকারের তথ্য অনুযায়ী temporary residence and work permit-এর জন্য বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে হয়।
সাধারণভাবে প্রয়োজন হতে পারে:
- বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি
- চাকরির অফার
- নিয়োগকর্তার লিখিত employment offer
- শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রমাণ
- থাকার ব্যবস্থা
- স্বাস্থ্যবীমা
- জীবিকা নির্বাহের সামর্থ্যের প্রমাণ
- প্রয়োজনীয় অন্যান্য supporting documents
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স/অপরাধমূলক রেকর্ড সংক্রান্ত নথি
মন্টিনিগ্রো সরকারের তথ্য অনুযায়ী employment-based temporary residence and work permit-এর জন্য নির্দিষ্ট পদে নিয়োগের employer-এর written offer, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সুস্বাস্থ্যের প্রমাণ দিতে হয়।
মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার ধাপ
নিচের ধাপগুলো সাধারণভাবে অনুসরণ করা হয়। নির্দিষ্ট কেস অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কাগজপত্র চাইতে পারে।
ধাপ ১: চাকরি খুঁজুন
প্রথমে মন্টিনিগ্রোর কোনো বৈধ employer-এর কাছ থেকে চাকরির অফার পেতে হবে।
চাকরির অফারে থাকা উচিত—
- কোম্পানির নাম
- চাকরির পদ
- কাজের বিবরণ
- বেতন
- কাজের সময়
- চুক্তির মেয়াদ
- নিয়োগের শর্ত
ধাপ ২: Employer যাচাই করুন
চাকরির অফার পাওয়ার পর কোম্পানিটি আসল কি না যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চেকলিস্ট:
- কোম্পানির নাম যাচাই
- কোম্পানির ঠিকানা যাচাই
- অফিসিয়াল ই-মেইল যাচাই
- Employment contract যাচাই
- বেতন ও সুবিধা যাচাই
- Work permit-এর দায়িত্ব কার তা জেনে নিন
- কোনো টাকা দেওয়ার আগে লিখিত রসিদ নিন
ধাপ ৩: Work permit/temporary residence process
মন্টিনিগ্রোর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি কর্মীর temporary residence and work permit-এর প্রক্রিয়া রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে আবেদন কর্মী নিজে এবং কিছু ক্ষেত্রে employer-এর মাধ্যমে করা যেতে পারে।
ধাপ ৪: ভিসার আবেদন
বাংলাদেশি নাগরিকদের মন্টিনিগ্রোতে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন। মন্টিনিগ্রোর সরকারি তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। বাংলাদেশে VFS Global মন্টিনিগ্রোর অফিসিয়াল পার্টনার হিসেবে ভিসা আবেদন গ্রহণ করছে।
ধাপ ৫: বাংলাদেশ থেকে VFS-এ আবেদন
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় VFS Global-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
ধাপ ৬: Montenegro যাওয়া
ভিসা এবং প্রয়োজনীয় residence/work authorization পাওয়ার পর নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী মন্টিনিগ্রো যেতে পারবেন।
মন্টিনিগ্রো ভিসা কি বাংলাদেশ থেকে হয়?
হ্যাঁ, বাংলাদেশ থেকে মন্টিনিগ্রোর ভিসা আবেদন করা যায়।
মন্টিনিগ্রোর সরকারি ওয়েবসাইটে বাংলাদেশকে এমন দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যার নাগরিকদের Montenegro visa প্রয়োজন। একই সরকারি তথ্য অনুযায়ী Montenegro-এর কোনো resident mission না থাকলে বাংলাদেশে VFS Global office-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।
বর্তমানে VFS Global নিজেকে বাংলাদেশে Montenegro Embassy-এর official partner হিসেবে উল্লেখ করছে। Dhaka Visa Application Centre-এর মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
গুরুত্বপূর্ণ লিংক
Montenegro Visa – Bangladesh:
VFS Global Montenegro Bangladesh
Montenegro Visa Information:
Montenegro Government – Visa Information
Montenegro – Bangladesh Visa Regime:
Montenegro Government – Bangladesh
মন্টিনিগ্রো যেতে কত টাকা লাগে?
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।
মন্টিনিগ্রো যেতে মোট কত টাকা লাগবে—এর কোনো একক নির্ধারিত উত্তর নেই।
কারণ মোট খরচ নির্ভর করে—
- ভিসার ধরন
- ভিসা ফি
- VFS service charge
- কুরিয়ার খরচ
- মেডিকেল
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
- ডকুমেন্ট অনুবাদ/সার্টিফিকেশন
- বিমানভাড়া
- চাকরির কাগজপত্র
- থাকার খরচ
- কে কোন খরচ বহন করছে
- এজেন্সি ব্যবহার করা হচ্ছে কি না
VFS Global-এর বাংলাদেশ পেজে বর্তমানে Montenegro-এর D Category long-term visa-এর visa fee ৩৫ ইউরো দেখানো হয়েছে। একই পেজে BDT ৪,৩০০ VFS service charge এবং BDT ৭,৭৩৫ mandatory two-way courier charge উল্লেখ রয়েছে; বিনিময় হার ও প্রযোজ্য চার্জ পরিবর্তিত হতে পারে।
ভিসা-সংক্রান্ত খরচের উদাহরণ
| খরচের ধরন | বর্তমান তথ্য |
|---|---|
| D Visa fee | €35 |
| VFS service charge | BDT 4,300 |
| Mandatory two-way courier | BDT 7,735 |
| বিমানভাড়া | পরিবর্তনশীল |
| মেডিকেল | পরিবর্তনশীল |
| পুলিশ ক্লিয়ারেন্স | প্রযোজ্য খরচ |
| অনুবাদ/সার্টিফিকেশন | পরিবর্তনশীল |
| অন্যান্য | কেসভেদে |
তাই কেউ যদি বলে “মন্টিনিগ্রো যেতে ঠিক ৮ লাখ/১০ লাখ/১২ লাখ টাকা লাগবে”, সেটিকে সরকারি নির্ধারিত মূল্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
বিশেষ করে কোনো এজেন্টকে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার আগে খরচের পূর্ণ breakdown এবং লিখিত চুক্তি নেওয়া উচিত।
মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক পারমিট চেক কীভাবে করবেন?
অনেকেই গুগলে “মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক পারমিট চেক” লিখে এমন কোনো public online tracking system খুঁজে থাকেন যেখানে শুধু passport number দিয়ে permit দেখা যাবে।
সব ক্ষেত্রে এমন একটি উন্মুক্ত public checker পাওয়া যায়—এমন তথ্য সরকারি শ্রম-সংক্রান্ত পেজে দেওয়া নেই।
মন্টিনিগ্রো সরকারের তথ্য অনুযায়ী work/residence permit-এর আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে করা হয় এবং complete application-এর সিদ্ধান্ত সাধারণত ২০ দিনের মধ্যে দেওয়ার বিধান রয়েছে।
Work permit status জানতে যা করবেন
- Employer-এর কাছ থেকে application/reference information নিন।
- Work permit application কোথায় জমা হয়েছে তা জেনে নিন।
- Employer-এর HR বা immigration representative-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
- সংশ্লিষ্ট Montenegro authority-এর confirmation নিন।
- প্রয়োজনে VFS-এর মাধ্যমে জমা দেওয়া visa application-এর status আলাদাভাবে check করুন।
মনে রাখবেন: Visa application status এবং work permit status এক জিনিস নয়।
Work Permit আর Visa-এর পার্থক্য
| বিষয় | Work Permit | Visa |
|---|---|---|
| উদ্দেশ্য | বৈধভাবে কাজ করার অনুমোদন | দেশে প্রবেশ/অবস্থানের অনুমতি |
| কর্তৃপক্ষ | Montenegro-এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ | Consular/visa authority |
| চাকরির সঙ্গে সম্পর্ক | সরাসরি | কাজের উদ্দেশ্যে D visa হতে পারে |
| Employer | গুরুত্বপূর্ণ | work visa ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ |
| Passport | প্রয়োজন | প্রয়োজন |
| দুইটি কি একই? | না | না |
মন্টিনিগ্রো সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকের কাজের জন্য temporary residence and work permit-এর ব্যবস্থা রয়েছে।
মন্টিনিগ্রো কি সেনজেন হবে?
বর্তমানে মন্টিনিগ্রো Schengen Area-এর সদস্য নয়।
ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী Montenegro বর্তমানে EU candidate country। দেশটি EU সদস্য হওয়ার জন্য accession negotiations চালাচ্ছে। ২০২৬ সালেও বিভিন্ন negotiating chapter provisionally close হয়েছে।
অন্যদিকে EU-এর বর্তমান Schengen তথ্য অনুযায়ী Schengen Area-এর সদস্য দেশগুলোর তালিকায় Montenegro নেই।
তাহলে ভবিষ্যতে কি Schengen হবে?
ভবিষ্যতে Montenegro Schengen ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে—এমন দীর্ঘমেয়াদি EU integration প্রক্রিয়া রয়েছে। কিন্তু ২০২৬ সালে Montenegro কবে Schengen হবে তার কোনো নিশ্চিত তারিখ ঘোষণা হয়েছে—এমন তথ্য নেই।
তাই বর্তমানে—
Montenegro visa = Schengen visa নয়।
আর Montenegro-এর work permit পেলেই Germany, France, Italy বা অন্য Schengen দেশে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার অধিকার পাওয়া যায় না।
Montenegro কি EU-এর দেশ?
এখনও নয়।
২০২৬ সালে Montenegro European Union-এর candidate country। EU accession negotiations-এর ৩৩টি chapter-ই খোলা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ১৬টি chapter provisionally closed হয়েছে বলে European Commission জানিয়েছে।
তাই Montenegro-কে “EU country” বা “Schengen country” বলে কোনো চাকরির বিজ্ঞাপন বা এজেন্টের কথায় বিশ্বাস করা ঠিক হবে না।
Montenegro Visa Update 2026
২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হলো বাংলাদেশ ও Montenegro-এর মধ্যে শ্রমবাজার সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা।
৫ অক্টোবর ২০২৬ বাংলাদেশ ও Montenegro-এর প্রতিনিধিদের বৈঠকে—
- দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার আগ্রহ
- পর্যটন খাতে কর্মী
- নির্মাণ খাতে কর্মী
- আতিথেয়তা খাতে কর্মী
- চিকিৎসাসেবা খাতে কর্মী
- বৈধ শ্রম অভিবাসন
- ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া সহজ করা
- শ্রমিক চলাচলসংক্রান্ত চুক্তি
এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এটি বাংলাদেশি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য ইতিবাচক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিলেও এখনই এটিকে গণহারে ৫০ হাজার বাংলাদেশির ভিসা অনুমোদন হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।
মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক ভিসার জন্য ডকুমেন্ট চেকলিস্ট
আবেদন করার আগে একটি checklist তৈরি করুন।
ব্যক্তিগত কাগজপত্র
- বৈধ পাসপোর্ট
- সাম্প্রতিক ছবি
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- জন্মনিবন্ধন, প্রযোজ্য হলে
- শিক্ষাগত সনদ
- অভিজ্ঞতার সনদ
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
- মেডিকেল/স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাগজপত্র
চাকরির কাগজপত্র
- Job offer
- Employment contract
- Employer-এর তথ্য
- Work permit সংক্রান্ত নথি
- Salary information
- Job description
ভিসার কাগজপত্র
- Visa application form
- ছবি
- Passport
- কাজের উদ্দেশ্যের প্রমাণ
- Employment contract/engagement proof
- Accommodation proof
- আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ, প্রযোজ্য হলে
- Visa fee
- অন্যান্য supporting documents
Montenegro-এর অফিসিয়াল D Visa তথ্যেও employment contract বা work engagement-এর প্রমাণ, accommodation এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য supporting evidence-এর কথা উল্লেখ রয়েছে।
প্রতারণা থেকে বাঁচতে ১০টি বিষয়
মন্টিনিগ্রো কাজের ভিসা নিয়ে আগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুয়া চাকরি ও ভুয়া work permit-এর ঝুঁকিও মাথায় রাখা জরুরি।
সতর্ক থাকুন যদি—
- কোম্পানির কোনো অফিসিয়াল তথ্য নেই।
- শুধু WhatsApp-এ চাকরির অফার দেয়।
- Interview ছাড়াই চাকরি নিশ্চিত করে।
- Work permit-এর কোনো কপি দেখাতে চায় না।
- Passport স্থায়ীভাবে রেখে দিতে চায়।
- অস্বাভাবিক বড় অগ্রিম টাকা দাবি করে।
- লিখিত চুক্তি দিতে চায় না।
- বলে “১০০% ভিসা গ্যারান্টি”।
- Montenegro-কে Schengen বলে প্রচার করে।
- বলে “এই ভিসা দিয়ে পুরো ইউরোপে কাজ করতে পারবেন।”
এ ধরনের দাবির ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার আগে অবশ্যই যাচাই করুন।
Montenegro Work Permit 2026: দ্রুত তথ্য
| প্রশ্ন | উত্তর |
|---|---|
| বাংলাদেশি নাগরিকের Montenegro visa লাগে? | হ্যাঁ |
| বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা যায়? | হ্যাঁ |
| VFS Global কি আবেদন গ্রহণ করে? | হ্যাঁ, Bangladesh-এর জন্য official partner হিসেবে VFS Global তথ্য দিচ্ছে |
| কাজের জন্য কোন ভিসা? | Long-Stay D Visa প্রযোজ্য হতে পারে |
| Work permit কি Visa-এর সমান? | না |
| Montenegro কি Schengen? | না |
| Montenegro কি EU সদস্য? | না, candidate country |
| ২০২৬ সালে বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদা আছে? | বিভিন্ন খাতে চাহিদার কথা সাম্প্রতিক আলোচনায় এসেছে |
| ৫০ হাজার বাংলাদেশিকে ভিসা দেওয়া হবে? | এমন নির্দিষ্ট ঘোষণা নয় |
| Work permit check করা যায়? | Employer/সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে status যাচাই করা উচিত |
| D Visa fee কত? | VFS-এর বর্তমান তথ্য অনুযায়ী €35 |
| আবেদন কোথায়? | VFS Global Bangladesh-এর মাধ্যমে প্রযোজ্য প্রক্রিয়ায় |
গুরুত্বপূর্ণ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
১. Montenegro Government
Montenegro Government – Official Website
২. Montenegro Visa Information
Montenegro Government – Visa Information
৩. Bangladesh-এর জন্য Montenegro Visa Information
Montenegro Government – Bangladesh Visa Regime
৪. VFS Global Montenegro – Bangladesh
VFS Global Montenegro Bangladesh
৫. Montenegro Labour & Employment
Montenegro Government – Labour and Employment
৬. Montenegro-এর ২০২৬ সালের শ্রমবাজার আপডেট
বণিক বার্তা – Montenegro বছরে ৫০ হাজার জনবল প্রয়োজন
মন্টিনিগ্রো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৬ নিয়ে বাংলাদেশিদের আগ্রহের অন্যতম কারণ হলো দেশটির বিভিন্ন খাতে বিদেশি কর্মীর চাহিদা এবং সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-মন্টিনিগ্রো শ্রমবাজার সহযোগিতার আলোচনা।
বিশেষ করে পর্যটন, নির্মাণ, আতিথেয়তা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সম্ভাবনার কথা সাম্প্রতিক আলোচনায় উঠে এসেছে।
তবে Montenegro-কে এখনো EU বা Schengen দেশ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। ২০২৬ সালে দেশটি EU candidate country এবং EU accession process-এর মধ্যে রয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের Montenegro ভিসা প্রয়োজন এবং বাংলাদেশ থেকে VFS Global-এর মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া করা যায়। কাজের ক্ষেত্রে Long-Stay D Visa-এর পাশাপাশি প্রযোজ্য temporary residence and work permit প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি ভিসা ফি, VFS charge, কুরিয়ার, কাগজপত্র, মেডিকেল, বিমানভাড়া এবং অন্যান্য খরচ আলাদা হতে পারে। তাই কোনো এজেন্টের প্যাকেজ মূল্যের ওপর নির্ভর না করে প্রতিটি খরচের লিখিত হিসাব নিন এবং সম্ভব হলে সরাসরি সরকারি ও VFS-এর তথ্য যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নিন।