কুষ্টিয়া জেলার রমজানের সময় সূচি । সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

কুষ্টিয়া জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া বিভাগ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুষ্টিয়া রমজানের ক্যালেন্ডার সুচি প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া কিছু ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, ইসলামিক স্কলার সকল তথ্য বিশ্লেষণ করে গণনার মাধ্যমে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি আমাদের সামনে উপস্থাপন করে।

সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ইসলামের সিয়াম আইনটি শিথিল করা হয়েছে কিছু ব্যাক্তিদের উপরে যেমন, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থ ব্যাক্তি, ভ্রমণকারী, বয়স্ক, গর্ভবতী, স্তন্যপান করানো মা, ডায়াবেটিস ঝুঁকি সম্পন্ন রোগী এর ক্ষেত্রে।

কুষ্টিয়া জেলার রমজানের সময় সূচি ২০২৬

সঠিক ও পরিস্কার ছবিতে রমজানের সময় সূচি কুষ্টিয়া ক্যালেন্ডারটি দেখতে পারবেন শুধুমাত্র KFPlanet ওয়েবসাইটে। আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রকাশিত ২০২৬ সালের কুষ্টিয়ার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচিও সংযুক্ত করবো। এছাড়া রমাযানের সাওম এর কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য, দোয়া জানানোর চেষ্টা করবো।

সূর্যোদয় এর আগের খাবারটি সেহরি হিসাবে উল্লেখ করা হয় এবং সন্ধ্যায় মাগরিবের আযানের সময় সাওম বা রোজা ভেঙ্গে ফেলাকে ইফতার বলা হয়। কুষ্টিয়া জেলার সাহরির শেষ সময় ও ইফতারের শেষ সময় জানতে চান অনেকে। তাই কুষ্টিয়া জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ নিচে দেয়া হলোঃ

→ সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬-রমজান ২০২৬ ক্যালেন্ডার দেখুন

কুষ্টিয়া জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬

আরবি সাল১৪৪৭ হিজরি
ইংরেজি সাল২০২৬
কোন জেলার সময়সূচীকুষ্টিয়া জেলার
সময়সূচিসেহরি ও ইফতার বাংলাদেশ টাইম
রমাযানের সাওম শুরু০২ মার্চ ২০২৬
রমাযানের সাওম শেষ৩১ মার্চ ২০২৬ (চাঁদ দেখার উপর)
সুত্রইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

Kushtia sehri o iftar time 2025 Calendar

রমজানতারিখবারসাহরির শেষফজর শুরুইফতার
১৯ ফেব্রুয়ারিবৃহস্পতি৫:১৭৫:২০৬:০৩
২০ ফেব্রুয়ারিশুক্র৫:১৬৫:২০৬:০৩
২১ ফেব্রুয়ারিশনি৫:১৫৫:১৯৬:০৪
২২ ফেব্রুয়ারিরবি৫:১৫৫:১৮৬:০৪
২৩ ফেব্রুয়ারিসোম৫:১৪৫:১৭৬:০৫
২৪ ফেব্রুয়ারিমঙ্গল৫:১৩৫:১৭৬:০৫
২৫ ফেব্রুয়ারিবুধ৫:১২৫:১৬৬:০৬
২৬ ফেব্রুয়ারিবৃহস্পতি৫:১২৫:১৫৬:০৭
২৭ ফেব্রুয়ারিশুক্র৫:১১৫:১৪৬:০৭
১০২৮ ফেব্রুয়ারিশনি৫:১০৫:১৪৬:০৮
১১১ মার্চরবি৫:০৯৫:১৩৬:০৮
১২২ মার্চসোম৫:০৮৫:১২৬:০৯
১৩৩ মার্চমঙ্গল৫:০৭৫:১১৬:০৯
১৪৪ মার্চবুধ৫:০৭৫:১০৬:০৯
১৫৫ মার্চবৃহস্পতি৫:০৬৫:০৯৬:১০
১৬৬ মার্চশুক্র৫:০৫৫:০৯৬:১০
১৭৭ মার্চশনি৫:০৪৫:০৮৬:১১
১৮৮ মার্চরবি৫:০৩৫:০৭৬:১১
১৯৯ মার্চসোম৫:০২৫:০৬৬:১২
২০১০ মার্চমঙ্গল৫:০১৫:০৫৬:১২
২১১১ মার্চবুধ৫:০০৫:০৪৬:১৩
২২১২ মার্চবৃহস্পতি৪:৫৯৫:০৩৬:১৩
২৩১৩ মার্চশুক্র৪:৫৮৫:০২৬:১৪
২৪১৪ মার্চশনি৪:৫৭৫:০১৬:১৪
২৫১৫ মার্চরবি৪:৫৬৫:০০৬:১৪
২৬১৬ মার্চসোম৪:৫৫৪:৫৯৬:১৫
২৭১৭ মার্চমঙ্গল৪:৫৪৪:৫৮৬:১৫
২৮১৮ মার্চবুধ৪:৫৩৪:৫৭৬:১৬
২৯১৯ মার্চবৃহস্পতি৪:৫২৪:৫৬৬:১৬
৩০২০ মার্চশুক্র৪:৫১৪:৫৫৬:১৭

* চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। সেহরির শেষ সময় সতর্কতামূলক এবং ফজরের আযান এর সময় সালাতুল ফজরের শুরু সময় নির্দেশ করে।

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুষ্টিয়া সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২৬ 

কুষ্টিয়া রমজান ক্যালেন্ডার ২০২৬

Islamic foundation Kushtia sehri and iftar time Image pdf

https://islamicfoundation.gov.bd/sehri-o-iftarer-somoy.pdf

সেহরি ও ইফতারের গুরুত্বপূর্ণ সব জিজ্ঞাসা

সেহরি কতক্ষণ পর্যন্ত খাওয়া যায়?

খুব ভোরের সুবহে সাদিক পর্যন্ত সাহরি খাওয়া যায়। অর্থাৎ ফরজ সালাতের সময় শুরু হওয়া পর্যন্ত সেহরি করা যায়। তবে অধিকতর সেফ থাকার জন্য ফরজ সালাত শুরু হওয়ার ০৫ মিনিট আগেই সেহরি শেষ করা উচিৎ।

সেহরির সময় কখন শুরু হয়?

মূলত সেহরি সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে সেহরি খেতে হয়। এটিই সুন্নাত তবে সেহরির শেষ সময়ের ০১ ঘণ্টা আগে খানাপিনা করলেও সমস্যা নেই।

সেহরির নিয়ত আরবি বাংলা

রোজা রাখার নিয়তঃ নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিং শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আংতাস সামিউল আলিম।

বাংলাতে অনুবাদঃ হে আল্লাহ, আজকে পবিত্র রমজান মাসে তোমার পক্ষ থেকে ফরজ করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার রোজা কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

বাংলায় নিয়ত: হে আল্লাহ! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমি পবিত্র রমজানের ফরজ রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার পক্ষ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

ইফতারের দোয়া ও নিয়ত

ইফতারের দোয়া উচ্চারণ: ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

বাংলাতে অনুবাদঃ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াব ও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত)

ইফতারের বাংলা নিয়ত: হে আল্লাহ, আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমজানের ফরজ রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনে রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার শুরু করছি। তারপর ‘বিসমিল্লাহি ওয়াআলা বারাকাতিল্লাহ’ বলে ইফতার করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

For Sponsored & Guest Post: kfsoft@yahoo.com । For Any kind of Queries: kfplanetbd@gmail.com