প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে? প্রবাসী কার্ড এর সুবিধা কি কি

প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো? বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য এটি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রবাসীদের সরকারি সেবা সহজ করা, তাদের তথ্যভাণ্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা এবং দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং প্রথম পর্যায়ে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইংরেজিতে পড়ুন 

প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন, আর্থিক সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে কার্ড বিতরণের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে।

এই পোস্টে প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো, প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে, প্রবাসী কার্ড এর সুবিধা কি কি, প্রবাসী কার্ডের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে, অনলাইনে আবেদনের লিংক কোথায় এবং প্রবাসী কার্ড ২০২৬-এর সর্বশেষ তথ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

পোস্টের সূচী এক পলকে দেখুন!

প্রবাসী কার্ড ২০২৬ কী?

প্রবাসী কার্ড হলো বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সরকারের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া একটি বিশেষ পরিচয় ও সুবিধাভিত্তিক কার্ড। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের সরকারি সেবার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা এবং বিভিন্ন সেবা ও সুবিধা সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী কার্ডের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন, আর্থিক প্রণোদনা এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করা। প্রবাসী কার্ডটি সাধারণ এটিএম কার্ডের মতো ব্যবহার করে ব্যাংকিং লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে। দেশে ফেরার পর প্রবাসীরা এটি দিয়ে খুব সহজেই সরকারি বিভিন্ন সেবা গ্রহণ ও সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

এমনকি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে কার্ডধারী প্রবাসীরা অগ্রাধিকার সুবিধা পাবেন। নতুন করে বিদেশে গমনেচ্ছুদের পাশাপাশি বর্তমানে প্রবাসে অবস্থানরতদেরও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

প্রবাসী কার্ড নিয়ে সংক্ষিপ্ত তথ্য

বিষয়তথ্য
কার্ডের নামপ্রবাসী কার্ড
আবেদন/কার্ড চালুআগস্ট ২০২৬-এর শেষের দিকে
আবেদন পদ্ধতিঅনলাইন/নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া
লক্ষ্যভুক্ত ব্যক্তিবিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসী
দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানজনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রপাসপোর্ট, NID, বৈধ ভিসা/ওয়ার্ক পারমিট ও বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রমাণ
কার্ডের উদ্দেশ্যপ্রবাসীদের জন্য সরকারি সেবা ও বিভিন্ন সুবিধা সহজ করা
সম্ভাব্য সুবিধাব্যাংকিং লেনদেন, সরকারি সেবা গ্রহণসহ বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা
আবেদন ফিসরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী
অনলাইন আবেদন লিংকসরকারি আবেদন প্রক্রিয়া চালু হলে প্রকাশ করা হবে
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাআবেদন শুরুর পর অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে

প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো?

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, নতুন প্রবাসী কার্ডের কার্যক্রম ধাপে ধাপে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের BMET অনলাইন পোর্টাল অথবা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাসে নিবন্ধনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাই শেষে একটি ইউনিক প্রবাসী আইডি নম্বর দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

তবে নতুন প্রবাসী কার্ডের পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া, নির্দিষ্ট আবেদন ফরম, কার্ড পাওয়ার চূড়ান্ত ধাপ এবং সবার জন্য উন্মুক্ত সরাসরি অনলাইন আবেদন লিংক সরকারিভাবে আলাদাভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা আবেদন করার আগে অবশ্যই যাচাই করতে হবে।

প্রবাসী কার্ড বানানোর সম্ভাব্য ধাপ

  1. প্রথমে নিজের বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য প্রস্তুত রাখুন।
  2. বৈধ ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিটের তথ্য প্রস্তুত রাখুন।
  3. বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রমাণপত্র থাকলে তা প্রস্তুত রাখুন।
  4. সরকার অনুমোদিত অনলাইন পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাসের মাধ্যমে নিবন্ধন করুন।
  5. আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করুন।
  6. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড বা জমা দিন।
  7. তথ্য যাচাই সম্পন্ন হলে প্রবাসী আইডি/কার্ড ইস্যুর পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

গুরুত্বপূর্ণ: নতুন প্রবাসী কার্ডের চূড়ান্ত আবেদন পদ্ধতি সরকারিভাবে পরিবর্তন হতে পারে। তাই কোনো তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট বা ব্যক্তির মাধ্যমে আবেদন না করে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে?

প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে?—এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে প্রথমেই বুঝতে হবে যে নতুন প্রবাসী কার্ডের কার্যক্রম এখনো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী BMET অনলাইন পোর্টাল অথবা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে নিবন্ধনের কথা বলা হয়েছে।

তবে ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত নতুন প্রবাসী কার্ডের জন্য আলাদা, সবার জন্য উন্মুক্ত চূড়ান্ত আবেদন পোর্টাল/ফরমের লিংক নিশ্চিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে বলে সরকারি কোন নোটিশে নেই। তাই নিচের সরকারি ওয়েবসাইটগুলো নিয়মিত অনুসরণ করা সবচেয়ে নিরাপদ।

অনলাইনে আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি লিংক

  • প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: [সরকারি ওয়েবসাইটের লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে]
  • জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET): [সরকারি BMET ওয়েবসাইটের লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে]

এই আগস্ট মাসের শেষের দিক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে প্রবাসী কার্ড। নতুন প্রবাসী কার্ডের সরাসরি আবেদন লিংক সরকারিভাবে চালু হলে এই অংশে সেটিই আপডেট করদ হবে।

প্রবাসী কার্ডের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী কার্ডের জন্য আবেদন করতে প্রার্থীর পরিচয় ও বিদেশে অবস্থান/কর্মসংস্থানের তথ্য যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। উল্লেখযোগ্য কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে—

  • বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
  • বৈধ ভিসা অথবা ওয়ার্ক পারমিট
  • বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রমাণপত্র
  • প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরিচয় ও সরকারি নথি

আবেদনের সময় কোন কাগজপত্রের স্ক্যান কপি, ছবি বা অতিরিক্ত নথি লাগবে তা চূড়ান্ত আবেদন নির্দেশনায় উল্লেখ থাকবে।

প্রবাসী কার্ড এর সুবিধা কি কি?

প্রবাসী কার্ড এর সুবিধা কি কি?—সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা একাধিক বিশেষ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলো হলো:

  1. দেশে ও বিদেশে কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা।
  2. বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার সুযোগ।
  3. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা।
  4. বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়।
  5. দেশে ও বিদেশে ন্যায্যমূল্যে গাড়ি বুকিংয়ের সুবিধা।
  6. এয়ারপোর্ট পিক অ্যান্ড ড্রপ সুবিধা।
  7. সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী সেবা বুথ এবং বেসরকারি হাসপাতালে ছাড়ের সুবিধা।
  8. কার্ডধারীর মৃত্যু হলে বিনা খরচে লাশ পরিবহনের সুবিধা।
  9. দেশে ফেরত প্রবাসীদের পুনর্বাসনের সুযোগ ও বিমা সুবিধা।
  10. জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ইউটিলিটি ও লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে অগ্রাধিকার।
  11. বৈদেশিক বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ।
  12. রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট ও ক্রেডিট স্কোরিং সুবিধা।
  13. ঋণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ।
  14. কার্ডের মাধ্যমে সহজে অর্থ লেনদেন ও টাকা পাঠানোর সুবিধা।
  15. NID, পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবায় অগ্রাধিকার।
  16. ব্যাংক ও সরকার প্রদত্ত অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার সুযোগ।

প্রবাসী কার্ডে বিমানবন্দরে কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে বিমানবন্দরের বিভিন্ন সেবায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ, বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথ এবং মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং এবং বিমানবন্দর পিক অ্যান্ড ড্রপের ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা সরকারি তথ্যের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রবাসী কার্ডে ব্যাংকিং সুবিধা কী থাকবে?

প্রবাসী কার্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো প্রবাসীদের জন্য সহজ ব্যাংকিং ও আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুবিধা তৈরি করা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।

এছাড়া রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড, ক্রেডিট স্কোরিং, ঋণ সুবিধা এবং কার্ডের মাধ্যমে সহজ লেনদেনের সুযোগও প্রবাসী কার্ডের পরিকল্পিত সুবিধার মধ্যে রয়েছে।

প্রবাসী কার্ডে চিকিৎসা সুবিধা

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য সরকারি হাসপাতালে বিশেষ প্রবাসী সেবা বুথ এবং বেসরকারি হাসপাতালে ডিসকাউন্ট সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কার্ডধারীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে লাশ দেশে বা নির্ধারিত স্থানে পরিবহনের সুবিধার কথাও প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রবাসী কার্ডে দেশে ফেরার পর কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের পুনর্বাসন ও পুনঃএকত্রীকরণের জন্য বিভিন্ন সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে পুনর্বাসন, প্রশিক্ষণ, বিমা এবং সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধা ও অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

প্রবাসী কার্ড কারা পাবেন?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী কার্ডের মূল লক্ষ্য বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের সরকারি সেবা ও তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে যুক্ত করা। প্রাথমিক পর্যায়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের মধ্যে কার্ড বিতরণের কার্যক্রম শুরু করার কথা জানানো হয়েছে।

তবে কার্ড পাওয়ার যোগ্যতার পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত শ্রেণিবিন্যাস, যেমন কোন কোন ক্যাটাগরির প্রবাসী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী বা অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিক কার্ড পাবেন—এ বিষয়ে আবেদন করার আগে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

প্রবাসী কার্ড এবং BMET স্মার্ট কার্ড কি একই?

না, দুটি বিষয়কে এক করে দেখা উচিত নয়। বিদেশ যাওয়ার আগে কর্মীদের BMET-এর স্মার্ট কার্ড গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে। অন্যদিকে নতুন প্রবাসী কার্ড হলো প্রবাসীদের জন্য সরকারের নতুন সুবিধাভিত্তিক কার্ড চালুর উদ্যোগ।

তাই প্রবাসী কার্ডের জন্য আবেদন করার আগে আপনি কোন কার্ড বা সেবার জন্য আবেদন করছেন তা নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রবাসী কার্ড অনলাইন আবেদন লিংক

নতুন প্রবাসী কার্ডের সরাসরি অনলাইন আবেদন লিংক চালু হলে সরকারি ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করা হবে। বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে নিচের সরকারি প্ল্যাটফর্মগুলো অনুসরণ করা উচিত:

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়:
[OFFICIAL_MINISTRY_LINK]

BMET:
[OFFICIAL_BMET_LINK]

নোট: নতুন প্রবাসী কার্ডের আবেদন লিংক চালু হওয়ার পর এই অংশে সরাসরি আবেদন করার লিংক যুক্ত হয়ে যাবে। কোনো অননুমোদিত ওয়েবসাইটে NID, পাসপোর্ট বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

প্রবাসী কার্ড ২০২৬-এর সর্বশেষ আপডেট

প্রবাসী কার্ড চালুর বিষয়ে সরকারের একটি বৈঠকে জানানো হয় যে আগস্ট মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার এবং পরবর্তী বছরের জুনের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসী কার্ড বিতরণের লক্ষ্যমাত্রার কথাও জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে কার্ড-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তাই প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে—এই বিষয়ে আবেদন করার আগে সর্বশেষ সরকারি নোটিশ দেখে নেওয়া জরুরি। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের পর আবেদন প্রক্রিয়া ও অনলাইন পোর্টালে পরিবর্তন আসতে পারে।

প্রবাসী কার্ড নিয়ে সতর্কতা

  • কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষকে টাকা দিয়ে কার্ড করানোর চেষ্টা করবেন না।
  • অপরিচিত ওয়েবসাইটে NID বা পাসপোর্টের তথ্য দেবেন না।
  • ব্যাংকিং তথ্য বা OTP কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
  • সরকারি ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাসের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
  • আবেদন ফি থাকলে শুধুমাত্র অনুমোদিত পদ্ধতিতে পরিশোধ করুন।
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভুয়া আবেদন লিংকে ক্লিক করার আগে যাচাই করুন।

সকল প্রশ্ন : প্রবাসী কার্ড ২০২৬

প্রবাসী কার্ড কবে থেকে চালু হবে?

চলতি মাসের শেষ দিকে প্রবাসীদের জন্য বহুকাঙ্ক্ষিত ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। বুধবার (১৯ আগস্ট) মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।

প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো?

নতুন প্রবাসী কার্ডের জন্য BMET অনলাইন পোর্টাল অথবা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি দূতাবাসের মাধ্যমে নিবন্ধনের কথা প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে। চূড়ান্ত আবেদন পদ্ধতি সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অনুসরণ করতে হবে।

প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে?

সরকারি অনলাইন পোর্টালে আবেদন/নিবন্ধনের ব্যবস্থা চালু হলে সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিতে হবে। তবে নতুন প্রবাসী কার্ডের সরাসরি সবার জন্য উন্মুক্ত চূড়ান্ত আবেদন লিংক প্রকাশিত হয়েছে কি না, আবেদন করার আগে সরকারি ওয়েবসাইটে যাচাই করা উচিত।

প্রবাসী কার্ড এর সুবিধা কি কি?

বিমানবন্দরে বিশেষ সেবা, লাউঞ্জ সুবিধা, টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে ছাড়, চিকিৎসা সুবিধা, ঋণ ও ব্যাংকিং সুবিধা, পুনর্বাসন, বিনিয়োগে অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকারসহ একাধিক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রবাসী কার্ডের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী পাসপোর্ট, NID, বৈধ ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রমাণপত্র প্রয়োজন হতে পারে। চূড়ান্ত আবেদন নির্দেশনায় অতিরিক্ত নথি চাওয়া হলে সেগুলোও জমা দিতে হবে।

প্রবাসী কার্ড কি সবাই পাবেন?

প্রবাসী কার্ডের মূল লক্ষ্য বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের সরকারি সেবার সঙ্গে যুক্ত করা। তবে কার্ড পাওয়ার চূড়ান্ত যোগ্যতা ও ক্যাটাগরি সম্পর্কে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

প্রবাসী কার্ডের আবেদন কি বিনামূল্যে?

নতুন প্রবাসী কার্ডের জন্য আবেদন ফি বা কার্ড ইস্যু ফি কত হবে—এ বিষয়ে চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো টাকা বলা উচিত নয়।

প্রবাসী কার্ডের সরাসরি আবেদন লিংক কোথায়?

সরাসরি আবেদন পোর্টাল চালু হলে তা সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আবেদন করার আগে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং BMET-এর সরকারি তথ্য যাচাই করুন।

প্রবাসী কার্ড ২০২৬ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকারি সেবা, ব্যাংকিং, বিমানবন্দর, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়ার একটি নতুন উদ্যোগ। বর্তমানে এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে।

তাই আপনি যদি জানতে চান প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো, প্রবাসী কার্ড কিভাবে বানাবো অনলাইনে, প্রবাসী কার্ড এর সুবিধা কি কি অথবা প্রবাসী কার্ডের অনলাইনে আবেদনের লিংক কোথায়—তাহলে সর্বশেষ সরকারি নোটিশ দেখে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ। সরাসরি আবেদন পোর্টাল চালু হলে এই পোস্টে লিংক আপডেট করা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

For Any kind of Queries: kfplanetbd@gmail.com / kfsoft@yahoo.com