যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে চাকরির নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশ হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ নিয়ে নিচে বিশদভাবে তথ্যবহুল আলোচনা করা হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিয়োগ ,যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় চাকরি সহ সকল সরকারি বেসরকারি চাকরির খবর পাবেন কে এফ প্ল্যানেট সাইটে।
১৭ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ০১ ক্যাটাগরিতে বিপুল লোকবল নিয়োগ করা হবে। ২৪২ টি শুন্য পদের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। আবেদন করতে পারেবেন ২৪ মে ২০২৬ তারিখে হতে ২৩ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত।
২৪২ টি পদে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
| জব টাইপ | সরকারি অধিদপ্তর চাকরি |
| দপ্তরের নাম | যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর |
| নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ | ১৭ মে ২০২৬ |
| বিজ্ঞপ্তির উৎস | জাতীয় দৈনিক পত্রিকা |
| মোট ক্যাটাগরির পদ | ০১ টি |
| মোট পদ সংখ্যা | ২৪২ টি |
| বেতন গ্রেড | ১১ তম |
| আবেদন শুরু | ২৪/০৫/২০২৬ |
| আবেদন শেষ | ২৩ জুন ২০২৬ |
| আবেদন ফি | ১১২ টাকা |
| আবেদন জমাদান | টেলিটক সিমের মাধ্যমে |
| আবেদনের মাধ্যম | অনলাইনে |
| ওয়েবসাইট | www.dyd.gov.bd |
- যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল
- যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
আবেদনের নিয়মাবলি (Application Procedure)
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত পদে আবেদন করার জন্য সকল প্রার্থীকে অনলাইনের মাধ্যমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। কোনো ধরনের হাতে লেখা আবেদনপত্র, ডাকযোগে প্রেরিত আবেদনপত্র কিংবা
সরাসরি অফিসে জমাকৃত আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদনকারীকে অবশ্যই বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত যোগ্যতা, বয়সসীমা, অভিজ্ঞতা (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
ধাপ–১ : অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ
- আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে http://dyd.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে
- অনলাইন আবেদনপত্র (Application Form) পূরণ করতে হবে।
- আবেদনপত্রে প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে।
- আবেদনপত্র পূরণের সময় বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় তথ্য প্রদানের প্রয়োজন হতে পারে।
- সকল তথ্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত সনদ এবং
- অন্যান্য সরকারি নথিপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
অনলাইন আবেদনপত্রে সাধারণত যেসব তথ্য প্রদান করতে হয়
- প্রার্থীর পূর্ণ নাম (বাংলা ও ইংরেজি)
- পিতার নাম
- মাতার নাম
- জন্মতারিখ
- জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
- জন্ম নিবন্ধন নম্বর
- বর্তমান ঠিকানা
- স্থায়ী ঠিকানা
- মোবাইল নম্বর
- ই-মেইল ঠিকানা
- শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য
- অভিজ্ঞতার তথ্য (যদি থাকে)
- কোটার তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
- ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড
ধাপ–২ : ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড
অনলাইন আবেদনপত্র পূরণের সময় আবেদনকারীকে নির্ধারিত মাপ ও সাইজ অনুযায়ী নিজের সাম্প্রতিক রঙিন ছবি এবং স্বাক্ষর স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ছবি ও স্বাক্ষর অবশ্যই স্পষ্ট, ঝাপসা নয় এবং সাম্প্রতিক হতে হবে।
ছবির নির্ধারিত শর্তাবলি
- ছবির মাপ: ৩০০ × ৩০০ পিক্সেল
- ফাইলের ধরন: JPG/JPEG
- সর্বোচ্চ ফাইল সাইজ: ১০০ কিলোবাইট
- সাম্প্রতিক তোলা রঙিন ছবি হতে হবে
- মুখমণ্ডল স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকতে হবে
- সানগ্লাস, অতিরিক্ত ফিল্টার বা অস্পষ্ট ছবি গ্রহণযোগ্য নয়
স্বাক্ষরের নির্ধারিত শর্তাবলি
- স্বাক্ষরের মাপ: ৩০০ × ৮০ পিক্সেল
- ফাইলের ধরন: JPG/JPEG
- সর্বোচ্চ ফাইল সাইজ: ৬০ কিলোবাইট
- কালো কালি ব্যবহার করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে হবে
- স্ক্যানকৃত স্বাক্ষর পরিষ্কার ও পাঠযোগ্য হতে হবে
ধাপ–৩ : আবেদনপত্র যাচাই
সকল তথ্য প্রদান শেষে আবেদনকারীকে আবেদনপত্রের Preview Version সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করতে হবে। নাম, জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা,মোবাইল নম্বর, ছবি এবং স্বাক্ষর সঠিকভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।একবার আবেদন Submit করা হলে সাধারণত তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকে না। তাই চূড়ান্তভাবে Submit করার পূর্বে সকল তথ্য বারবার যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাবমিট করার আগে যা যাচাই করবেন
- নামের বানান সঠিক কিনা
- জন্মতারিখ সনদের সাথে মিল আছে কিনা
- শিক্ষাগত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কিনা
- মোবাইল নম্বর সচল কিনা
- ই-মেইল ঠিকানা সঠিক কিনা
- ছবি ও স্বাক্ষর সঠিকভাবে আপলোড হয়েছে কিনা
- কোটার তথ্য সঠিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে কিনা
ধাপ–৪ : Applicant’s Copy সংরক্ষণ
আবেদনপত্র সফলভাবে Submit করার পর একটি Applicant’s Copy তৈরি হবে।এতে আবেদনকারীর User ID, ব্যক্তিগত তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে।এই Applicant’s Copy PDF আকারে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে এবং
প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করে রাখতে হবে। ভবিষ্যতে প্রবেশপত্র ডাউনলোড,ফি প্রদান এবং অন্যান্য কার্যক্রমে এই তথ্য প্রয়োজন হবে।
Applicant’s Copy কেন গুরুত্বপূর্ণ
- User ID সংরক্ষিত থাকে
- ফি প্রদানের জন্য প্রয়োজন হয়
- প্রবেশপত্র ডাউনলোডে প্রয়োজন হয়
- ভবিষ্যৎ যাচাইকরণে সহায়ক
- তথ্য পুনরুদ্ধারে ব্যবহার করা যায়
ধাপ–৫ : পরীক্ষার ফি প্রদান
Applicant’s Copy পাওয়ার পর আবেদনকারীকে টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়ে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি জমা না দিলে আবেদনপত্র কার্যকর হবে না। ফি প্রদান সম্পন্ন হলে আবেদনকারী একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা (Confirmation SMS)
পাবেন। উক্ত বার্তায় User ID এবং Password প্রদান করা হবে।
ফি প্রদানের প্রথম SMS
DYD <Space> User ID Send to 16222
উদাহরণ:
DYD ABCDEF Send to 16222
ফি প্রদানের দ্বিতীয় SMS
DYD <Space> YES <Space> PIN Send to 16222
উদাহরণ:
DYD YES 12345678 Send to 16222
ধাপ–৬ : User ID ও Password সংরক্ষণ
ফি প্রদানের পর প্রাপ্ত User ID এবং Password অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এগুলো ব্যবহার করে পরবর্তীতে প্রবেশপত্র ডাউনলোড, পরীক্ষার সময়সূচি দেখা,ফলাফল যাচাই এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এসএমএস মুছে না ফেলে সংরক্ষণ করা উত্তম। প্রয়োজনে আলাদা খাতায় User ID এবং Password লিখে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ধাপ–৭ : প্রবেশপত্র (Admit Card) ডাউনলোড
লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের পর প্রার্থীর মোবাইল নম্বরে SMS এর মাধ্যমে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের নির্দেশনা পাঠানো হবে।প্রার্থী নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে User ID এবং Password ব্যবহার করে Admit Card ডাউনলোড করতে পারবেন।
প্রবেশপত্রে সাধারণত যেসব তথ্য থাকবে
- প্রার্থীর নাম
- রোল নম্বর
- পদের নাম
- পরীক্ষার তারিখ
- পরীক্ষার সময়
- পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম
- প্রার্থীর ছবি
- প্রয়োজনীয় নির্দেশনা
ধাপ–৮ : পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
লিখিত পরীক্ষার দিন প্রবেশপত্রের প্রিন্ট কপি এবং প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময় সকল মূল সনদপত্র, নম্বরপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিকত্ব সনদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
- ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে আবেদন বাতিল হবে।
- জাল সনদপত্র ব্যবহার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- আবেদন ফি ফেরতযোগ্য নয়।
- আবেদনপত্র সাবমিট করার আগে সব তথ্য পুনরায় যাচাই করুন।
- মোবাইল নম্বর সবসময় সচল রাখুন।
- User ID ও Password নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করুন।
- প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না।
- বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সময়সীমার পরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
- প্রার্থীর প্রদত্ত সকল তথ্য যে কোনো সময় যাচাই করা হতে পারে।
- নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনবোধে বিজ্ঞপ্তির শর্ত সংশোধন, সংযোজন বা বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।
বিশেষ নির্দেশনা
আবেদনকারীকে অবশ্যই নিজের নামে নিবন্ধিত ও সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবেদনপত্র পূরণের সময় ইন্টারনেট সংযোগ স্থিতিশীল থাকা প্রয়োজন। আবেদনপত্র Submit করার পর Applicant’s Copy ডাউনলোড করে
একাধিক স্থানে সংরক্ষণ করা উত্তম। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সকল নির্দেশনা নিয়মিতভাবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং টেলিটক নিয়োগ পোর্টাল থেকে অনুসরণ করতে হবে।
Jubo Unnayan Odhidoptor Job Circular 2026


Application Deadline: 23 June 2026
Visit Website: www.dyd.gov.bd
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (DYD) আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশিকা
১. প্রার্থীর নাম (Applicant’s Name)
এসএসসি/সমমান সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী
প্রার্থীর পূর্ণ নাম বাংলায় এবং ইংরেজিতে লিখতে হবে। নামের বানান, স্পেস,
ডট কিংবা অন্য কোনো চিহ্নে ভুল থাকলে পরবর্তীতে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
তাই তথ্য প্রদানের আগে অবশ্যই সরকারি সনদের সাথে মিলিয়ে যাচাই করতে হবে।
২. পিতার নাম (Father’s Name)
পিতার পূর্ণ নাম শিক্ষাগত সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রে যেভাবে রয়েছে সেভাবে
লিখতে হবে। সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার না করাই উত্তম। বানানগত ভুল থাকলে
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সমস্যা হতে পারে।
৩. মাতার নাম (Mother’s Name)
মাতার নামও সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী হুবহু লিখতে হবে। কোনো ধরনের
সংক্ষিপ্তকরণ বা পরিবর্তিত বানান ব্যবহার করা যাবে না। আবেদনপত্রে
প্রদত্ত তথ্য ভবিষ্যতে যাচাই করা হতে পারে।
৪. জন্মতারিখ (Date of Birth)
জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লেখিত জন্মতারিখ
দিন/মাস/বছর (DD/MM/YYYY) ফরম্যাটে লিখতে হবে। বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে
এ তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
৫. জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID Number)
যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে তারা সঠিক NID নম্বর প্রদান করবেন।
যদি NID না থাকে তবে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধন নম্বর
ব্যবহার করা যেতে পারে। নম্বর ভুল হলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৬. জন্ম নিবন্ধন নম্বর (Birth Registration Number)
১৭ সংখ্যার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর প্রদান করতে হবে।
অনলাইনে তথ্য যাচাইয়ের সুবিধার্থে সঠিক নম্বর উল্লেখ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৭. বর্তমান ঠিকানা (Present Address)
বর্তমানে যেখানে বসবাস করছেন সেই ঠিকানার বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।
বাড়ি নম্বর, গ্রাম/মহল্লা, ডাকঘর, উপজেলা/থানা, জেলা এবং পোস্ট কোড
উল্লেখ করতে হবে। যোগাযোগের জন্য এই ঠিকানা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বর্তমান ঠিকানায় যা যা উল্লেখ করবেন
- বাড়ি/হোল্ডিং নম্বর
- গ্রাম বা মহল্লা
- ডাকঘর
- উপজেলা/থানা
- জেলা
- পোস্ট কোড
৮. স্থায়ী ঠিকানা (Permanent Address)
জন্মসূত্রে বা পারিবারিকভাবে স্থায়ী বসবাসের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
বর্তমান ঠিকানার সঙ্গে একই হলেও নির্ধারিত ঘরে তা উল্লেখ করতে হবে।
স্থায়ী ঠিকানার তথ্য সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মিল থাকা আবশ্যক।
৯. মোবাইল নম্বর (Mobile Number)
সক্রিয় এবং ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে।
পরীক্ষার তারিখ, প্রবেশপত্র, ফলাফল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
এসএমএসের মাধ্যমে এই নম্বরে পাঠানো হতে পারে।
মোবাইল নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে সতর্কতা
- সর্বদা সচল নম্বর ব্যবহার করুন।
- অন্যের নম্বর ব্যবহার না করাই উত্তম।
- নম্বর পরিবর্তন হলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে (যদি সুযোগ থাকে)।
১০. ই-মেইল ঠিকানা (Email Address)
বৈধ ও নিয়মিত ব্যবহৃত ই-মেইল ঠিকানা প্রদান করতে হবে।
নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, নোটিশ অথবা যাচাইকরণ বার্তা
ই-মেইলে পাঠানো হতে পারে।
১১. শিক্ষাগত যোগ্যতা (Educational Qualification)
এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক বা সমমান পরীক্ষার তথ্য ধারাবাহিকভাবে লিখতে হবে।
প্রতিষ্ঠানের নাম, বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়, পাসের সাল, বিভাগ বা বিষয়,
এবং অর্জিত জিপিএ/সিজিপিএ উল্লেখ করতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতায় অন্তর্ভুক্ত তথ্য
- পরীক্ষার নাম
- প্রতিষ্ঠানের নাম
- বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- পাসের বছর
- বিভাগ বা বিষয়
- জিপিএ/সিজিপিএ
১২. অভিজ্ঞতা (Experience Information)
যদি কোনো চাকরি বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকে তবে প্রতিষ্ঠানের নাম,
পদের নাম, চাকরির মেয়াদ এবং দায়িত্বের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিতে হবে।
অভিজ্ঞতার সনদ থাকলে তা সংরক্ষণ করতে হবে।
১৩. কোটার তথ্য (Quota Information)
মুক্তিযোদ্ধা, শারীরিক প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা অন্যান্য প্রযোজ্য
কোটার আওতাভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট তথ্য নির্বাচন করতে হবে।
কোটা দাবি করলে অবশ্যই বৈধ সনদপত্র থাকতে হবে।
কোটা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিল
- মুক্তিযোদ্ধা সনদ
- প্রতিবন্ধী সনদ
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ
- প্রযোজ্য অন্যান্য সরকারি সনদ
১৪. ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড (Photo & Signature Upload)
নির্ধারিত সাইজ ও ফরম্যাট অনুযায়ী সাম্প্রতিক রঙিন ছবি এবং স্বাক্ষর
স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। অস্পষ্ট বা ভুল ফাইল আপলোড করলে
আবেদন বাতিল হতে পারে।
ছবি আপলোডের নির্দেশনা
- সাম্প্রতিক রঙিন ছবি ব্যবহার করতে হবে।
- সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ড উত্তম।
- মুখমণ্ডল পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান হতে হবে।
- নির্ধারিত ফাইল সাইজ অতিক্রম করা যাবে না।
১৫. ঘোষণাপত্র ও আবেদন সাবমিট (Declaration & Submission)
আবেদনকারীকে নিশ্চিত করতে হবে যে প্রদত্ত সকল তথ্য সঠিক, সম্পূর্ণ এবং
সত্য। ভুল, অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করলে আবেদন বাতিলসহ
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। সকল তথ্য পুনরায় যাচাই করে
‘Submit Application’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সাবমিট করার পূর্বে চূড়ান্ত যাচাই
- নাম ও জন্মতারিখ সঠিক কিনা যাচাই করুন।
- মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল সক্রিয় কিনা নিশ্চিত করুন।
- শিক্ষাগত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কিনা দেখুন।
- ছবি ও স্বাক্ষর সঠিকভাবে আপলোড হয়েছে কিনা পরীক্ষা করুন।
- সকল তথ্য যাচাই শেষে আবেদন সাবমিট করুন।

Ami jobty korte chai dow kore amake apnara dakben
kobe exam hote pare aktu janaben plz
কোন পদের জন্য ? প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন। আর এখানে না থাকলে অপেক্ষা করুন। মেসেজে চলে আসবে
kobe exam hote pare aktu janaben plz
মেসেজ এ আসবে।